একসময় মাদ্রাসা শুনলে মানুষজন ভাবতো সেখানে শান্তিবিরাজ করে এবং সারাদিন আল্লাহ্বিল্লাহ করা হয়। মাদ্রাসা মানেই ভালো।
কারণ সেখানে গরীব, দরিদ্র, সম্বলহীন, কিংবা যাদের দুবেলা ভাত জুটত না তাদের আশ্রয়ের স্থান মাদ্রাসাতে।
মানুষজন ভাবতো, ছেলেমেয়ে পড়াশোনা কতোই বা করতে পারবে! তারচে’ কোরআন হাদিস জানলে বেহেশতে যাওয়া সহজ হবে।
মুসলমানেরা ধর্মকে ইচ্ছাকৃত স্পর্শকাতর করে রেখেছে। যাতে দুনিয়ার যতো শয়তানী ও হারামিপনা আছে তা নির্দ্বিধায় করতে পারে।
এটা মুসলমানেরাও জানে কিন্তু প্রকাশ করতে ভয় পায়। বেহেশতে গিয়ে যদি মাধুরীর মতন অদৃশ্য পরী না খেতে পারে এই আতংকে চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করে।
পরবর্তীতে মানুষজন জানতে পারে যে মাদ্রাসাতে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
জাতীয় সঙ্গীতকে অস্বীকার, হিন্দুদের প্রতি ঘৃণা, অমুসলিমদের হত্যা, অবিশ্বাসীদের খুন, নারীর অগ্রগতির অন্তঃরায় হিশেবে মাদ্রাসা এক ভয়ানক স্থান।
যেখানে ছোট্ট কোমল শিশুদের মস্তিষ্কে শুদ্ধতার পরিবর্তে অশুদ্ধতা, মানবতার পরিবর্তে হিংস্রতা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।
যখন মাদ্রাসা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বোমাবারুদ, চাপাতি, জিহাদি বইপুস্তক উদ্ধার হয় তখন মানুষজন অবাক হয়ে যায়।
অনেক সাধারণ বিশ্বাসী মুসলমান প্রতিবাদ করতে চায় কিন্তু আতংকিতবোধ করে।
কারণ সাধারণ মুসলমান জানে যে, মোল্লারা ধর্মকে ব্যবহার করে শয়তানকে নায়ক আর ভালো মানুষকে শয়তান বানায়।
মোল্লাদের বিশ্বাস করা ভয়ংকর। এরা দেশের জন্য ক্ষতিকর। এরা সমাজের অগ্রগতি, উন্নতি ও প্রগতি অন্তঃরায়।
এরা সভ্যতা অস্বীকার করে এবং বর্বরতাকে প্রাধান্য দেয়। প্রতিটি মোল্লা নারীর অগ্রগতিতে অস্তিত্বহীনতায় ভুগে। নারীর কর্মক্ষমতাকে তারা নিচু দৃষ্টিতে দেখে।
প্রতিটি মোল্লার ভিতরে একেকটি ধর্ষকের বসবাস। ধর্ষণে তারা গৌরববোধ করে, পুরুষত্ব খুঁজে পায়।
দাড়ি, নামাজ, জোব্বা দেখলেই মানুষেরা ভেবে নেয় সে বুঝি সৎ, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে অধিকাংশ জোব্বা, দাড়িও জায়নামাজের নিচে শয়তানের অবস্থান।
Share this content:










