,

ওয়েস্টার্ন কালচার আমার কাছে কেমন যেন লাগে

ওয়েস্টার্ন কালচার আমার কাছে কেমন যেন লাগে, এই যেমন ছেলেমেয়েদের ১৮ বয়স হলেই যার যার নিজের মত চলতে হয়, কে কি করবে তার উপর মা বাবার ইচ্ছা বা নিয়ন্ত্রণ কিছুই নেই, তাদের যা ইচ্ছা তাই করে, আলাদা বাসায় থাকে, নিজের খরচ নিজে উপার্জন করে চলে৷ মা বাবার বাসায় ঘুরতে যায় বছরে একদুবার, কোন দায়িত্ব নেই,…

ওয়েস্টার্ন কালচার আমার কাছে কেমন যেন লাগে, এই যেমন ছেলেমেয়েদের ১৮ বয়স হলেই যার যার নিজের মত চলতে হয়, কে কি করবে তার উপর মা বাবার ইচ্ছা বা নিয়ন্ত্রণ কিছুই নেই, তাদের যা ইচ্ছা তাই করে, আলাদা বাসায় থাকে, নিজের খরচ নিজে উপার্জন করে চলে৷

মা বাবার বাসায় ঘুরতে যায় বছরে একদুবার, কোন দায়িত্ব নেই, বুড়ো মা বাবার দায়িত্ব না নিতে পারলে এই কালচারের কি দাম?

আমাদের দেশিও কালচার দেখুন, মা বাবারা যতদিন বেচে আছে ততদিন ছেলেমেয়েদের আগলে রাখে, প্রাপ্তবয়স্ক নয়, চাকুরি না পাওয়া পর্যন্ত সব খরচ দিচ্ছে, বদলে খুব বেশি কিছু চায় না, শুধু ছেলে মেয়ে কি হবে ভবিষ্যতে, কি খাবে, কি পড়বে, কাকে ফিউচার পার্টনার বানাবে, মাত্র এগুলাই তারা নিয়ন্ত্রণ করে, অবশ্য মাঝে মাঝে পাশের বাড়ির অন্য কারো পা ধোয়া পবিত্র পানিও খাওয়াতে চায়।

আমাদের দেশিও কালচারটাই ভাল, সারাজীবন মা কে রান্না ঘরে কাজের লোকের মত খাটিয়ে Mother’s ডে তে কত আলগা দরদ দেখাই।

ওয়েস্টার্ন কালচার ভাল না, দেখুন মা গুলো সারাজীবন বাচ্চাদের জন্য রান্নাঘরে কাটায় না। কালচার শিখাবে কিভাবে! বাচ্চাদের লাইফে নিজের খুশি ফোর্স করে না, কি বিশ্রি এক কাচলার। আমাদের দেশিও কালচারই সেরা ✌️

পৃথিবীতে আর দ্বিতীয় এমন কালচার নাই যেখানে ছেলের বিয়েতে কনের হাতে ছেলের মা-বাপ রিং পরিয়ে দেয় । আহা কত আপন, কত সুন্দর এক কালচার ❤️

Share this content:

About the Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *