উত্তরায় রিকসা নিলাম। যেতে যেতে রিকসাচালক জানালেন উনার গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী অসুস্থ

উত্তরায় রিকসা নিলাম। যেতে যেতে রিকসাচালক জানালেন উনার গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাইলেন। নামার সময় ভাড়ার চাইতে দশ টাকা বেশি দিলাম। রাইড শেয়ারিং বাইকে এলাকার কাছের মেইন রোডে। বাইক থেকে নেমে রিকসা। আসতে আসতে এই রিকসাচালকও জানালেন একই কথা, উনারও স্ত্রী অসুস্থ। এলাকায় নেমে নির্ধারিত ভাড়াই দিলাম। অতিরিক্ত দিলাম না। রিকসা থেকে…

উত্তরায় রিকসা নিলাম। যেতে যেতে রিকসাচালক জানালেন উনার গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাইলেন। নামার সময় ভাড়ার চাইতে দশ টাকা বেশি দিলাম।

রাইড শেয়ারিং বাইকে এলাকার কাছের মেইন রোডে। বাইক থেকে নেমে রিকসা। আসতে আসতে এই রিকসাচালকও জানালেন একই কথা, উনারও স্ত্রী অসুস্থ। এলাকায় নেমে নির্ধারিত ভাড়াই দিলাম। অতিরিক্ত দিলাম না।

রিকসা থেকে নামতে নামতে আরেকটা রিকসা এসে থামলো, তাতে পাড়াতো ছোট ভাই। আমি নেমে তার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। ছোট ভাই ভাড়া মিটানোর সময় বলছে “নিন, দশ টাকা বাড়িয়ে দিলাম। বাড়ি চলে যান। উনার চিকিৎসা করান।”

কিছু জিজ্ঞেস করলাম না। বুঝে গেছি যে, এই একই স্ক্রিপ্ট আমি দুইবার পড়ে ফেলেছি।


Share this content:

About the Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *